বই: Perfume: The Story Of A Murderer (Das Parfum: Die Gegehichte eines Mörders)
লেখক: Patrick Süskind
মূল: জার্মানী
প্রথম প্রকাশ: ১৯৮৫
ইংরেজী অনুবাদক: John E. Woods
লেখক: Patrick Süskind
মূল: জার্মানী
প্রথম প্রকাশ: ১৯৮৫
ইংরেজী অনুবাদক: John E. Woods
১৭ জুলাই ১৭৩৮
পঞ্চমবারের মতো মাছের দোকানটায় কাজ করতে করতে হঠাৎ যন্ত্রনায় মুখ বিকৃত করে দোকানের অভ্যন্তরে ঢুকে যায় সে এবং জন্ম দেয় আরেকটি শিশু। পূর্ববর্তী গুলোর ন্যায় এই শিশুটি মৃত বা বিকলাঙ্গ হয়নি তবে মৃতপ্রায়। তাই মাছ কাটার ছুড়ি দিয়ে নাভিচ্ছেদ করে সে শিশুটিকে ফেলে রাখে কাদায়; একটু পর মারা যাবে এই ভেবে।
কিন্তু Grenouille বা শিশুটির মৃত্যু হয়না। সে বেঁচে থাকে। আর্তনাদ করতে করতে সে তাই জানান দেয়।
কিন্তু Grenouille বা শিশুটির মৃত্যু হয়না। সে বেঁচে থাকে। আর্তনাদ করতে করতে সে তাই জানান দেয়।
Grenouille জন্ম নেয় আশ্চর্যকর ঘ্রাণশক্তি নিয়ে। বহুদুর থেকেই সে ঘ্রাণের মাধ্যমে চিহ্নিত করতে পারে যেকোনো বস্তু। এমনকি তাকে উদ্দেশ্য করে ছোড়া পঁচা কমলার গন্ধ-ও যা কিনা বাতাস কেটে কেটে ছুটে আসছে তার মাথা বরাবর!
এমনকি লুকোনো টাকার ঘ্রাণও তার নাকে খুব ভালো ভাবে এসে ধরা দেয়।
(উল্লেখ্য: জন্মের পর থেকে Grenouille এর নিজের দেহের কোনো মৌলিক ঘ্রাণ ছিল না )
এমনকি লুকোনো টাকার ঘ্রাণও তার নাকে খুব ভালো ভাবে এসে ধরা দেয়।
(উল্লেখ্য: জন্মের পর থেকে Grenouille এর নিজের দেহের কোনো মৌলিক ঘ্রাণ ছিল না )
Grenouille- কে এরপরে দেখা যায় যুবক রুপে। পশুর চামড়া সংরক্ষন কাজে; শ্রমিক রুপে।
প্যারিস ছিলো তখন অসাস্থ্যকর এবং আবর্জনার শহর।
কাজ শেষ এমন সময় একদিন Grenouille এর নাকে এইসব দুর্গন্ধ(যদিও সবকিছুর গন্ধে সে সমান মনোযোগী ছিলো) ছাপিয়ে প্রবেশ করে অদ্ভুত এক ঘ্রাণ। ১৪-১৫ বছর বয়সী এক (ফুল বিক্রেতা) মেয়েই ছিলো তার উৎস।
Grenouille নিঃশব্দে পিছু নেয় মেয়েটির। উদ্দেশ্য আরো কাছ থেকে তাঁর (শরীর?) অদ্ভুত ঘ্রাণ নেয়ার… .. …
প্যারিস ছিলো তখন অসাস্থ্যকর এবং আবর্জনার শহর।
কাজ শেষ এমন সময় একদিন Grenouille এর নাকে এইসব দুর্গন্ধ(যদিও সবকিছুর গন্ধে সে সমান মনোযোগী ছিলো) ছাপিয়ে প্রবেশ করে অদ্ভুত এক ঘ্রাণ। ১৪-১৫ বছর বয়সী এক (ফুল বিক্রেতা) মেয়েই ছিলো তার উৎস।
Grenouille নিঃশব্দে পিছু নেয় মেয়েটির। উদ্দেশ্য আরো কাছ থেকে তাঁর (শরীর?) অদ্ভুত ঘ্রাণ নেয়ার… .. …
“Perfume: The Story Of A Murderer” এর কাহিনী শুরু হয় মূলত এখান থেকেই। এখান থেকেই শুরু হয় অদ্ভুত এক জগতের ভয়ংকর এক মানুষের গল্প। এরপর থেকেই ঘটে যেতে থাকে শ্বাসরুদ্ধকর্ একেকটি ঘটনা।
Patrick Süskind এর জাদুবাস্তবতাময় লেখাকে অনুবাদক John E. Woods পরিপূর্নভাবেই তুলে ধরতে পেরেছেন। বইয়ের ভাষা তাই সাবলীল-সরল। পড়তে পড়তে একসময় কবিতা বলে ভ্রম-ও হয়।
এবসার্ড পাঠক, হরর পাঠক, ম্যাজিকেল রিয়েলিজম প্রিয় সব পাঠকের জন্যই অবশ্য পাঠ্য।
এবসার্ড পাঠক, হরর পাঠক, ম্যাজিকেল রিয়েলিজম প্রিয় সব পাঠকের জন্যই অবশ্য পাঠ্য।
পুনশ্চ: বইটি কিঞ্চিৎ ১৮+ হয়ত (যদিও আমি এখনো ১৭ tongue emoticon )। তবে “শিল্প কখনো অশ্লীল হতে পারেনা, দেখার মাঝেই যতো অশ্লীলতা” এই বাক্যটা মানতে যাদের চুলকানী আড়ম্ভ হয় তারা বইটা থেকে দুরে থাকতে পারেন।


This post have 0 blogger-facebook
EmoticonEmoticon